বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সকালে সচিবালয়ে তার দপ্তরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন।এই স্মারক ডাকটিকিটের মূল্য ১০ টাকা। এছাড়াও, একটি উদ্বোধনী খামও উন্মোচন করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, ডাক, টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, সচিব মো. কামরুজ্জামান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ মেহেদুল ইসলামও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
ডিএসসিসির ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রমের একটি চিত্র।
ডিএসসিসির ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে ৩ নভেম্বর

ডিএসসিসির তলে ব্যাটারি চালিত ই-রিকশার নিবন্ধনের কার্যক্রম আগামী ৩ নভেম্বর থেকে শুরু হবে।নিবন্ধনের জন্য আবেদন ফরমের মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফরম নগর ভবন এবং ডিএসসিসির সমস্ত আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করা যাবে।আবেদনকারীদের বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে এবং আবেদনপত্রের সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যাপত্তা কপি, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং ফি জমার রশিদ জমা দিতে হবে।ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালাম সংবাদ সম্মেলনে জানান, নিবন্ধনের জন্য একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার জন্য আবেদন করতে পারবেন।নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ই-রিকশা বুয়েটের কারিগরি মানদণ্ড অনুযায়ী তৈরি হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে বুয়েটের ছাড়পত্র জমা দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, নতুন বিধিমালা অনুযায়ী ই-রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নগরবাসীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এই কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।নিবন্ধন পাওয়ার জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ, বুয়েটের মানদণ্ড অনুসরণ এবং যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য যানবাহনকে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হবে।এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে সব ই-রিকশাকে নিয়মের আওতায় আনা এবং সড়কে অননুমোদিত ও অনুপযুক্ত যানবাহনের সংখ্যা কমিয়ে আনা।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিবেদন সম্পর্কিত তথ্যের চিত্র।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিবেদন: অক্টোবর ২০২৬

অক্টোবর ২০২৬ সালে বাংলাদেশে অন্তত ৭০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ১২ জনের মৃত্যু এবং ৩৩৪ জন আহত হয়েছে।বিএনপির মধ্যে ৩৫টি অভ্যন্তরীণ ঘটনার ফলে ৯ জনের মৃত্যু এবং ১৮৫ জন আহত হয়েছে। এছাড়াও, ৩৩টি গণপিটুনির ঘটনায় ২২ জনের মৃত্যু এবং ২০ জন আহত হয়েছে।এছাড়া, নির্বাচন সংক্রান্ত সহিংসতার ৬টি ঘটনা ৩৫ জনকে আহত করেছে এবং ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।সেপ্টেম্বর মাসে ৬৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু এবং ৫২৭ জন আহত হয়েছে।এই সময়ে, ২৫,১৬৫ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৮৪ জন আওয়ামী লীগ, ৮১ জন বিএনপি, ২৭ জন জামায়াত-ই-ইসলামি এবং ১৮ জন উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য রয়েছেন।নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে, এবং ১৯ জন বন্দী কারাগারে মারা গেছে।প্রতিবেদনটিতে সাংবাদিকদের উপর ২৮টি নির্যাতনের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, যার ফলে ৪৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগের চিত্র।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।গত সোমবার অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী জুং-সুং পার্কের মধ্যে দ্বিপক্ষী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়িক চেম্বারের প্রতিনিধি অংশ নেবেন।যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ বিনিয়োগের সুযোগ, ব্যবসা সহজীকরণ, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পিপিপি মাধ্যমে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উপায় চিহ্নিত করবে।আমির খসরু জানান, সিইপিএ আলোচনা শেষ হওয়ায় দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে বিস্তৃত ও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।বাংলাদেশের সফরকারী প্রতিনিধি দল সিউলে হুন্দাই গ্লোবিস, হানওয়া ওশান ও স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের সাথে মিটিং করেছে। হুন্দাই গ্লোবিস লজিস্টিকস, বন্দর উন্নয়ন ও অটোমোটিভ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনুসন্ধানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।দুইপক্ষে ওয়ার্কিং-লেভেল টিম গঠনে সম্মতি হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে কার্যক্রম চালু কোরিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা সমাধানে আলোচনা বাড়ানোর গুরুত্ব দেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব কর আদায়ের তথ্য তুলে ধরছেন।
এনবিআর চেয়ারম্যানের বক্তব্যে কর আদায়ের তথ্য প্রকাশ

এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ৩ নভেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়কর ক্যাডার ৪৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর) অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা আয়োজিত হয়েছিল। চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, অক্টোবর মাসে ভ্যাট আদায় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, হাজার হাজার পেমেন্ট চালান সিস্টেমে এন্ট্রি হওয়ার পর ভ্যাট আদায়ের বৃদ্ধি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে আয়কর আদায়ে ১৪ শতাংশ এবং শুল্ক-কর আদায়ে ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে ভ্যাট আদায় গত বছরের তুলনায় ৬.৬ শতাংশ কমেছে। চেয়ারম্যান ব্যাখ্যা করেছেন যে, ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার পদ্ধতি মাসিক থেকে ত্রৈমাসিক করার কারণে আদায় কমেছে।ত্রৈমাসিক রিটার্ন জমার শেষ তারিখ প্রথমে ১৫ অক্টোবর ছিল, পরে তা বাড়িয়ে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। রিটার্ন থেকে প্রাপ্ত হাজার হাজার চালান এনবিআর সিস্টেমে ইনপুট দেওয়ার কাজ চলছে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল জানা যাবে।চেয়ারম্যান আশা জানিয়েছেন যে, ভ্যাট আদায় খুব শীঘ্রই ইতিবাচক প্রবণতায় ফিরে যাবে। তিনি নতুন ক্যাডার কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।এনবিআর চেয়ারম্যান স্পষ্ট করেছেন যে, বোর্ড সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তই এনবিআরের সিদ্ধান্ত, এখানে ব্যক্তির একক ক্ষমতার সুযোগ নেই।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
এক সাংবাদিকের ৫৬ বছরের সাংবাদিকতার ইতিহাস ও অভিজ্ঞতা।
এক সাংবাদিকের ৫৬ বছরের সাংবাদিকতা ও রাজনীতির অভিজ্ঞতা

এক সাংবাদিক তার ৫৬ বছরের সাংবাদিকতার ক্যারিয়ার নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে সাপ্তাহিক একতায় সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং সেখানে ২১ বছর সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন।সাংবাদিকতার শুরুতে তিনি ১৯৫৪ সাল থেকে দৈনিক সংবাদ পড়তেন এবং ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে এর সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তিনি ঢাকা কলেজের ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৬২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়ুব বিরোধী ছাত্র ধর্মসন্ত্রাসে অংশগ্রহণ করেন।তিনি ১৯৯২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভোরের কাগজের সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন এবং সেখানে ৬ বছরের বেশি সময় কাজ করেন। ১৯৯৮ সালের ৪ নভেম্বর প্রথম আলো প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি সেখানে ২৮ বছর কাজ করেন।প্রথম আলো পেশাদার সাংবাদিকতা, সৃজনশীলতা, নিরপেক্ষতা এবং মানবাধিকার, বিশেষ করে নারীদের, শিশুদের এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার সমর্থনের জন্য পরিচিত।সাংবাদিকটি জানান, প্রথম আলো সরকারী বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছে, যার মধ্যে বিজ্ঞাপন নিষেধাজ্ঞা, মামলা, সাংবাদিকদের আটক এবং আগুনে হামলার মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত।তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রথম আলো সামাজিক কারণে যেমন এসিড সহিংসতা ও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার প্রতিরোধে কাজ করছে এবং আটটি আলোর পাঠশালা ও বৃত্তি তহবিল পরিচালনা করছে।সাংবাদিকটি ৮০ বছরের বেশি বয়সী এবং তার ক্যারিয়ার ও প্রথম আলোর ভূমিকা নিয়ে প্রতিফলন করেছেন। তিনি অতীতের কিছু ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সত্যিকার সাংবাদিকতার প্রতি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের ১৫ সদস্যের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণা

দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশ সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে। সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করা হয়েছে।দলে ফিরেছেন টপ অর্ডার ব্যাটার টনি ডি জর্জি, যিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেপ্টেম্বরে হ্যামস্ট্রিং চোট পেয়েছিলেন। এছাড়া, কুঁচকির চোট কাটিয়ে এনরিখ নরকিয়া এবং ব্যাটার জুবায়ের হামজা দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।লুঙ্গি এনগিডি হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে এই সিরিজে থাকছেন না। ডেভিড বেডিংহাম ও কাইল ভেরেইনি দলে জায়গা পাননি।দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন টেম্বা বাভুমা। স্পিনার হিসেবে দলে রয়েছেন কেশব মহারাজ ও সাইমন হারমার।সিরিজের প্রথম টেস্ট ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে শুরু হবে এবং দ্বিতীয় টেস্ট ২৩ নভেম্বর সুপারস্পোর্ট পার্কে অনুষ্ঠিত হবে।দলের পেসারদের মধ্যে কাগিসো রাবাদা, মার্কো ইয়ানসেন, উইয়ান মুল্ডার, করবিন বশ ও ড্যান প্যাটারসন রয়েছেন। ১৫ সদস্যের দলে রায়ান রিকেলটনও অন্তর্ভুক্ত।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
জলবায়ু সম্মেলন ও অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে ড. ফজলে রাব্বির সাক্ষাৎকার

ড. ফজলে রাব্বি ছাদেক আহমাদ, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অ্যাজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি, জলবায়ু সম্মেলন ও অর্থায়ন নিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন। তিনি টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অবৈতনিক সদস্য এবং ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-ইএসডিওর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা।সাক্ষাৎকারটি সমকালের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মাহফুজুর রহমান মানিক গ্রহণ করেছেন। ড. ফজলে রাব্বি জানিয়েছেন, কপ৩১ তুরস্কে অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সাথে একসঙ্গে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সম্মেলনে অর্থায়ন বাড়ানো এবং জলবায়ু অর্থায়নের গুণগত মান নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়।তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলো অনুদান এবং ঋণ প্রদান করে, তবে এই অর্থায়ন প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত। উন্নত দেশগুলো ঋণ দিতে চায় এবং বাজার হারে সুদ নিয়ে মুনাফা পেতে চায়।ড. ফজলে রাব্বি আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বাস্তুচ্যুতির কারণে মানুষের জীবিকা নষ্ট হচ্ছে এবং জমি নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, বাস্তুচ্যুত মানুষের কর্মসংস্থান ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা জরুরি।এদিকে, প্রধানমন্ত্রী এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন এবং জলবায়ু অর্থায়ন প্রদানকারীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিতে পারেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের শ্রেণিকক্ষে বহুমুখী পাঠদান পদ্ধতির আলোচনা।
শ্রেণিকক্ষে বহুমুখী পাঠদান পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা

০৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত একটি শিক্ষা নিবন্ধে বাংলাদেশের শ্রেণিকক্ষে বহুমুখী পাঠদান পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। লেখিকা নুসরাত ইয়াসমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী এবং এডুএনভয় ও শিক্ষা অধিকার সংসদের সাথে সংযুক্ত।নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, বহুমুখী পাঠদান পদ্ধতির তিনটি মূল উপাদান হলো শিখনফলকেন্দ্রিক পাঠদান, বৈচিত্র্যময় পাঠদান পদ্ধতি এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক সহায়তা ও ধারাবাহিক মূল্যায়ন। লেখিকা জানান, শিখনফলভিত্তি শিক্ষায় পাঠ শেষে শিক্ষার্থীর জ্ঞান, বোধ ও দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।বর্তমানে, বাংলাদেশের শ্রেণিকক্ষে বক্তৃতাভিত্তিক পদ্ধতি এখনও প্রধান পাঠদান পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। লেখিকা শহর ও গ্রামের বিভিন্ন স্কুলে পাইলট প্রকল্প চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন।এছাড়া, কর্মসূচির পর শিখনফল এবং শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ মূল্যায়ন করার প্রস্তাব রয়েছে। খরচ, কার্যকারিতা এবং শিক্ষকদের প্রয়োজন পরীক্ষা করে প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।লেখিকা শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকের মতামতের ভিত্তিতে কাঠামো পরিবর্তন করার পরামর্শ দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে ৪০ জন শিক্ষার্থীর একটি শ্রেণিকক্ষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও তরুণ সমাজের সংঘাতের চিত্র।
বাংলাদেশের সংবিধান ও তরুণ সমাজের রাজনীতিতে সংঘাতের বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালে প্রণীত হয় এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের ফলাফল। তবে, সংবিধান কার্যপ্রক্রিয়ার দিক থেকে জনগণকে ক্ষমতাহীন করে এক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছে।গণপরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ১৯৭২ সালের সংবিধানকে পাকিস্তানের ১৯৬২ সালের সংবিধানের মতো প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে রচিত বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা বলেন, সংবিধানে এক হাতে অধিকার দেওয়া হয়েছে এবং অন্য হাতে তা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে কয়েকবার বিস্ফোরণ ঘটে এবং ২০২৩ সালের গণ-অভ্যুত্থান ঘটে। তরুণরা বহু বছর ধরে রাষ্ট্রকে প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখে এবং পুলিশ, রাজনীতিবিদ, আমলা ও জ্যেষ্ঠ জনগোষ্ঠী তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচিত।বাংলাদেশে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি গুলিবর্ষণ ও নিপীড়ন করে। এই পরিস্থিতিতে রাজনীতির প্রক্রিয়া মানুষের নালিশ শুনতে ব্যর্থ হলে বিস্ফোরণ ঘটে।সংবিধান সংস্কার কমিশন ক্ষমতার ভারসাম্য, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস, বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ, শক্তিশালী স্থানীয় সরকার, মৌলিক অধিকারের সম্প্রসারণ ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের সুপারিশ করেছে। তবে, সংস্কার না হলে তরুণদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সংঘাত বৃদ্ধি পাবে এবং দঙ্গলবাজির নিপীড়ক সংস্কৃতি শক্তিশালী হতে পারে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির আলোচনা চলছে।
বাংলাদেশ ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য বৃদ্ধির তাগিদ

বাংলাদেশ ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে রূপ দিতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (পিটিএ) রূপরেখা দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে।বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তুরস্কের ইস্তাম্বুলে কমসেকের ৪২তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সাইডলাইনে ডি-৮ মহাসচিব সোহাইল মাহমুদ এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই অবস্থান তুলে ধরেন।বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিদ্যমান বাধা দূর করা এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। তিনি এফটিএ ও পিটিএর রূপরেখা দ্রুত চূড়ান্ত করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন।তিনি ডি-৮ সচিবালয়কে চুক্তি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা নিতে এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার অনুরোধ জানান।ডি-৮ মহাসচিব সোহাইল মাহমুদ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও আন্তঃবাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশের প্রস্তাব ও আগ্রহ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন।বৈঠকে বাংলাদেশের এবং ডি-৮ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নতুন মিনিামাম বেতন বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নতুন মিনিামাম বেতন বোর্ডের প্রথম সভা বৃহস্পতিবার

নতুন গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য মিনিামাম বেতন বোর্ডের প্রথম সভা বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে পারে। বোর্ডের সদস্যরা জানিয়েছেন, বুধবার সভার নোটিশ জারি হবে।বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে একজন জানান, সরকারের পরবর্তী দুই দিনের ছুটির কারণে বৃহস্পতিবার সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যদি বৃহস্পতিবার সভা না হয়, তাহলে তা বিলম্বিত হবে।বোর্ডের সচিব রাইসা আফরোজ নিশ্চিত করেছেন যে, বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার সকালে সভার নোটিশ জারি করা হবে।সরকার শনিবার গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য ছয় সদস্যের নতুন মিনিামাম বেতন বোর্ড গঠন করেছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান।বোর্ডটি সকল श्रमिक ক্যাটাগরির জন্য মিনিামাম বেতন সুপারিশ করবে। সরকার বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন বেতন কাঠামো গেজেট আকারে ঘোষণা করবে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতুর নির্মাণ প্রকল্পের আলোচনা চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতুর পরিকল্পনা উন্নয়ন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা উন্নত করার নির্দেশ দিয়েছেন।দ্বিতীয় পদ্মা এবং যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।সমীক্ষা শেষের পর আগামী সেপ্টেম্বর মাসে দুটি সেতুর স্থাপনা, ডিজাইন ও খরচের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।বৈঠকে ওয়াই-আকৃতির সাথে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সংযোগ পথ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।রংপুর এবং উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ উন্নত করার গুরুত্ব দ্বিতীয় যমুনা সেতুর পরিকল্পনায় রয়েছে।দ্বিতীয় পদ্মা সেতু তৈরি হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে রাজধানির যাতায়াত সহজ হবে।মোংলা বন্দর এবং বেনাপোল-দর্শনা রুটে বিকল্প সড়ক যোগাযোগ স্থাপন হবে।ব্যারেজ প্রকল্পে শুষ্ককাল পানির সংকট কমানো, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো এবং নদীর প্রবাহ ও পরিবেশের সন্তুলন রক্ষা করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।বৈঠকে প্রকল্পের বাজেট, জমি অধিকার এবং পুনর্বাসন নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন উঠে আসে।বৈঠকটি মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের কিশোর ফুটবল দল ফিফা অনুর্ধ-১৫ বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়েছে।
বাংলাদেশের কিশোর ফুটবল দল ফিফা অনুর্ধ-১৫ বিশ্বকাপে রানার্সআপ

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ফিফা অনুর্ধ-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের কিশোর দলের 'টায়ার-ই' (পঞ্চম স্তর) রানার্সআপ হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে। তবে, বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে ১৮৯টি দেশের মধ্যে ১৩০তম অবস্থানে রয়েছে।এই টুর্নামেন্ট আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ টায়ার-ইতে রানার্সআপ হয়েছে, ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয়েছে।বাফুফে সভাপতি তাবিথ আওয়াল দলের প্রতি সংবর্ধনা জানিয়ে বলেছেন, কিশোররা এখন বিশ্বকাপ জয়ের সাহস রাখে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রতিটি খেলোয়াড়কে এক লাখ টাকা পুরস্কার দিয়েছেন।আগামী সংস্করণে বাংলাদেশের মেয়েদের দলও অংশ নেবে। ফিফার উদ্দেশ্য ছিল তরুণদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেওয়া এবং তৃণমূল ফুটবল উন্নতি করা।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
ধানমন্ডিতে ১৪ তলা ভবনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
ধানমন্ডিতে ১৪ তলা ভবনে আগুন, হতাহতের ঘটনা নেই

০৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ধানমন্ডির ২৭ নম্বর বাসায় আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।বিকেল ৩টা ৪২ মিনিটে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের চেষ্টায় ৪টা ১৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।এ ঘটনার কোনো হতাহত ঘটনা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। আনোয়ারুল ইসলাম জানান, পলাশী ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট সহায়তার জন্য পাঠানো হয়েছিল।ইনবাসিত ইউনিট দুটি ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বারিধারায় অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধীবান্ধব ভোটকেন্দ্র নিয়ে কর্মশালা।
বারিধারায় প্রতিবন্ধীবান্ধব ভোটকেন্দ্র নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোমবার রাজধানীর বারিধারায় একটি হোটেলে ‘ডিজেবিলিটি ইনক্লুসিভ ইলেকশন রিপোর্টিং’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্য চেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস (বি-স্ক্যান) এই কর্মশালার আয়োজন করে।কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা ভোটকেন্দ্রে সিঁড়ি, চলাচলের উপযোগী পথের অভাব ও সহযোগিতার অভাবে ভোটদানে বাধার সম্মুখীন হন। তারা প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করতে এবং প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের ওপর জোর দেন।বি-স্ক্যানের নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব বলেন, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত না হলে প্রতিবন্ধীদের ভোটাধিকার বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি চলাচলের বিষয়টি বিবেচনা করে নিচতলা বা সিঁড়ি ছাড়াই উঠতে যায় এমন স্থানে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা রাখার কথা বলেন।তিনি প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক দল রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন এবং নারী প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য নারী স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।বি-স্ক্যানের প্রোগ্রাম পরিচালক ইফতেখার মাহমুদ বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে এবং তাদের অধিকার ও মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান।কর্মশালায় গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের উপস্থাপন নিয়ে আলোচনা করা হয়। নির্বাচনী অংশগ্রহণ সংবাদে দয়া বা সহানুভূতির পরিবর্তে সমতা, মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকারের বিষয়কে সামনে আনার কথা বলা হয়।মিডিয়া অ্যানালিস্ট নাজিয়া আফরিন মোনামী এবং দৈনিক ইত্তেফাকের মহিলা অঙ্গন সম্পাদক রাবেয়া বেগী কর্মশালার পরিচালনা করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেলিগেট সিমোনা কামোলিনি কর্মশালার সমাপনী বক্তব্য দেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশে প্রাণিজ পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশে প্রাণিজ পণ্যের রপ্তানি ও উৎপাদন বৃদ্ধি

বাংলাদেশে প্রাণিজ পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে এবং দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রাণিজ পণ্য রপ্তানি হচ্ছে।২০২৬ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে প্রাণিজ পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭২৭ ডলার। আগের ছয় মাসের তুলনায় আয় বেড়েছে ২১৭ দশমিক ২০ শতাংশ।২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয় মাসে প্রাণিজ পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৩২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৬২ ডলার। পরবর্তী ছয় মাসে রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭২২ ডলারে।২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাণিজ পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ ২৩ হাজার ৬৩৮ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩০৯ কোটি ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৭৮১ টাকা।রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে মাংস, দুধ, জিলেটিন, গরুর লেজের লোম, ওম্যাজাম, মহিষ ও গরুর শিং, টুকরা চামড়া এবং ভেটেরিনারি মেডিসিন সাপ্লিমেন্ট। রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে রয়েছে মালদ্বীপ, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, মালয়েশিয়া, মিসর, কুয়েত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং ও নেপাল।প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে দুধ উৎপাদিত হয়েছে ১৫৭ দশমিক ৫৩ লাখ টন। আগের অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৫৫ দশমিক ৩৮ লাখ টন।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারের বিভিন্ন ধরনের মিষ্টির একটি চিত্র।
বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার: ৪৫টি শাখায় ১৮৫ ধরনের মিষ্টি

বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ১৮৫ ধরনের মিষ্টি তৈরি হয়। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৪৫টি শাখা রয়েছে।প্রতিষ্ঠানটি ২৪ সদস্যের একটি পরিবারের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এখানে প্রায় তিন শ কর্মী কাজ করেন, যার মধ্যে শতাধিক কারিগর রয়েছেন।মিষ্টির প্রস্তুতপ্রণালিতে দুধ, ছানা, ক্ষীর ও চিনির মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করে না, তবে কিছু মিষ্টিতে খাবারের রং ব্যবহার করা হয়।নকল মিষ্টির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
বাংলাদেশে অপরিণত শিশুর জন্মের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশে অপরিণত শিশুর জন্মের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে

২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে পাঁচ হাজার ৫১৫টি অপরিণত শিশুর জন্ম হয়েছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ১১.৯ শতাংশ বেশি।গবেষণায় দেখা গেছে, তাপপ্রবাহের কারণে বাংলাদেশে অপরিণত শিশুর জন্মের হার সবচেয়ে বেশি। এপ্রিল মাসে তাপমাত্রা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ময়মনসিংহে গড়ে ৩.৫৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।জানা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এক হাজার ৪৭৯টি অপরিণত জন্ম ঘটেছে। প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে প্রায় ১৯টি অতিরিক্ত অপরিণত শিশুর জন্ম হয়েছে।ময়মনসিংহে প্রতি হাজারে ২৪টি এবং সিলেটে প্রতি হাজারে ১৬টি অপরিণত জন্মের হার ছিল। ঢাকা ও চট্টগ্রামে অপরিণত শিশুর জন্মের ৪৭ শতাংশ ঘটেছে।২০২০ সালে বাংলাদেশে মোট শিশুর ১৬.২ শতাংশ অপরিণত জন্ম নিয়েছিল। গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৪১ থেকে ২০৬০ সালের মধ্যে স্বাভাবিক এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে অতিরিক্ত প্রায় এক হাজার ৫০০ অপরিণত শিশুর জন্ম হতে পারে।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
মো. আনিসুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
তাইওয়ানে মো. আনিসুর রহমানের মৃত্যু

মো. আনিসুর রহমান নামের একজন ব্যক্তি তাইওয়ানে মারা গেছেন। তাঁর বয়স ছিল ৫২ বছর। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল গ্রামের আবুল বাসার মুন্সীর ছেলে।আনিসুর রহমান ২২ জুন ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে তাইওয়ান যান। মৃত্যুর সময় তিনি নিউ তাইপেই সিটির ফু জেন ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ৩১ অক্টোবর দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু ঘটে।মৃত্যুর সময় তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আনিসুরের দুই সন্তান রয়েছে, মেয়ে জুম্মী রহমান এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষে এবং ছেলে জারিফ ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।শিলা আক্তার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চেয়ে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে আনিসুরের বন্ধু ইয়াং জিয়ান-কাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁর মৃত্যু ও মরদেহ সংরক্ষণের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
ডা. কানিজ ফাতেমা ছোঁয়া 'মিস অ্যান্ড মিসেস ডাক্তার' প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন।
ডা. কানিজ ফাতেমা ছোঁয়া 'মিস অ্যান্ড মিসেস ডাক্তার' প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন

ডা. কানিজ ফাতেমা ছোঁয়া ৩১ অক্টোবর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত 'মিস অ্যান্ড মিসেস ডাক্তার সিজন ১' প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।প্রতিযোগিতার প্রথম রানারআপ হলেন মেডিকেল শিক্ষার্থী নাবিলা তোরা এবং দ্বিতীয় রানারআপ হলেন ডা. রিফা তামান্না।এটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয়েছে। ডা. ছোঁয়া অভিনয়, গান, নাচ ও ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহী।ডা. ছোঁয়ার বাবা জি এম কামরুল হুদা একসময় ব্যাংকে চাকরি করতেন এবং দেড় বছর আগে স্ট্রোক করেন। তার মা ফিরোজা হুদা।ডা. ছোঁয়া ছোট ভাই তানজিমের দায়িত্ববোধ অনুভব করেন এবং চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভিনয় চালিয়ে যেতে চান।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Top week

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা
অর্থনীতি

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা

News অক্টোবর ২৮, ২০২৬ 0